খুলনা, বাংলাদেশ | ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ

খুলনার বেহাল সড়ক গুলো খুব দ্রুত ই সংস্কারের প্রস্তাব , প্রাণ ফিরে পেতে যাচ্ছে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার

[ccfic]

ডেস্ক :

খুলনাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়নে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্যাকেজ প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।প্রস্তাবিত সড়কগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দিঘলিয়া উপজেলার প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার দীর্ঘ নগরঘাট থেকে আড়ুয়া সড়ক, যা ছয় ফুট প্রশস্ততা বাড়িয়ে সার্ভিস রোডে উন্নীত করা হবে। এছাড়া ৩৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ফুলতলা-মিকসিমিল-ডুমুরিয়া সড়ক, তেরখাদা-মোল্লারহাট সড়ক এবং বটিয়াঘাটা-পাইকগাছা সড়কও এই উন্নয়ন প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। একইসঙ্গে সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কও এই প্রস্তাবনায় রাখা হয়েছে।সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল হক জানান, শুধুমাত্র সেতু নির্মাণ করে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায় না, সড়কের উন্নয়নও সমানভাবে জরুরি। তিনি বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আমাদের পরিকল্পনার কোনো ঘাটতি নেই। তবে রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে সব পরিকল্পনা একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না।তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে ১৬টি সড়কের উন্নয়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা (ডিপিপি) তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, যার সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে প্রস্তাবটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এ উপস্থাপন করা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে।নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল হক আরও বলেন, দিঘলিয়ার আড়ুয়া এলাকা বর্তমানে অবহেলিত হলেও শিল্পায়নের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। নড়াইল, গোপালগঞ্জ ও যশোরের শিল্পাঞ্চলগুলোকে এই অঞ্চলে সম্প্রসারণ করা সম্ভব। এখানে জমির মূল্য তুলনামূলক কম, সহজলভ্য শ্রমশক্তি রয়েছে এবং কাঁচামালের প্রাপ্যতাও ভালো। পাশাপাশি নৌপথে দ্রুত মোংলা বন্দরে পণ্য পরিবহন করা যায়, যা রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা তৈরি করবে।তবে এই সম্ভাবনার মাঝখানে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে আতাই নদীর ওপর আড়ুয়া ব্রিজ নির্মাণ। এ সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। সেতুটি নির্মিত হলে এবং প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করা গেলে যশোরের নওয়াপাড়ার শিল্পাঞ্চলের সম্প্রসারণ এ অঞ্চলে ঘটানো সম্ভব হবে।সংশ্লিষ্টদের মতে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই এ অঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাবিকাঠি। প্রস্তাবিত সড়কগুলো বাস্তবায়িত হলে শুধু যাতায়াত সহজ হবে না, বরং শিল্পায়ন, বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানের নতুন দ্বারও উন্মোচিত হবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT